মোবাইল আসক্তি কি ? মুক্তির উপায় কি আছে ?

 


মোবাইল আসক্তি কি ? মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তির উপায় গুলো কি কি ?


স্মার্টফোন যে আমাদের জীবনের অত্যাবশ্যক অংশ হয়ে উঠেছে তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখেনা। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাপস, লাইভ স্ট্রিমিং, গেমসসহ আরও অসংখ্য সুযোগ সুবিধা দেয়ার পাশাপাশি স্মার্টফোনের এই চক্কর আপনার জন্য একটা কঠিন গোলকধাঁধাও হয়ে উঠতে পারে।

শুধুমাত্র পর্যাপ্ত গবেষণামূলক ডেটা না থাকায় মোবাইল ফোনে আসক্তিকে এখন পর্যন্ত 'রোগ' হিসাবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয়া হচ্ছে না। 

ফোন ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ না থাকায় আচরণগত, মানসিক ও চিন্তাধারার নানাবিধ সমস্যার কথা এরই মধ্যে অনেক বিশেষজ্ঞই বলেছেন। ব্যক্তিগত সম্পর্কে ক্ষতির কারণ, ফোন হাতে না পেলে আতঙ্কিত আব শঙ্কিত হয়ে যাওয়া কিংবা দুশ্চিন্তা করা এবং কোনোকিছু গভীরভাবে চিন্তা করার বা সৃজনশীলতায় বাঁধা দেয়ার মত সমস্যার মূলেও মোবাইল ফোন ব্যবহারের ভূমিকা আছে।

আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল এসোসিয়েশন এর প্র্যাকটিস ট্রান্সফরমেশন অ্যান্ড কোয়ালিটি শাখার পরিচালক লিন বুফকা বলেন, সম্ভাব্য ক্ষতির ঝুঁকি দেখেও এড়িয়ে যাওয়া কিংবা প্রিয়জনদের কাছ থেকে ফোন ব্যবহারের ব্যাপারে অভিযোগ শুনলেই আমাদের বোঝা উচিত যে আমাদের আচরণে কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছে।

তবে মোবাইল ফোনে আসক্তি থেকে মুক্তির উপায়ও আছে। আপনি যদি চান নিজের সুস্থ জীবনযাত্রা বজায় রাখতে এবং ফোনে আসক্তি থেকে দূরে থাকতে | 


২০০০ এর দশকের শেষের দিক থেকে স্মার্টফোনের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯ সালের পরিচালনায়, বিশ্বব্যাপী মোট জনসংখ্যার শতকরা ৪১.৫ ভাগ মোবাইল ব্যবহার করে । 

ব্যাপক প্রযুক্তিগত অগ্রগতির কারণে, স্মার্টফোনের অত্যধিক ব্যবহার চীনের মতো এশিয়ান দেশগুলিতে একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।২০১৮ সাল পর্যন্ত বিশ্বে মোট নিবন্ধিত মোবাইল ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৭০০ লক্ষ। 

ডিজিটাল মিডিয়ার অত্যধিক ব্যবহার চোখের সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।বিশেষ করে এই সমস্যা অল্প বয়স্কদের হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এটি অনুমান করা হয়েছে যে ,ডিজিটাল মিডিয়ার অত্যধিক ব্যবহার করার ফলস্বরূপ ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্ব জনসংখ্যার শতকরা ৪৯.৮ ভাগ (৪.৮ বিলিয়ন) মায়োপিয়াতে আক্রান্ত হবে।

মোবাইল আসক্তি কি? (What is mobile addiction)

মোবাইল ফোন একটি উৎপাদনশীল হাতিয়ার যে গুলো ব্যবহার করে, আমরা বিভিন্ন উৎপাদনশীল কাজ করার জন্য ব্যবহার করতে পারি।


তবে, মোবাইল অতিরিক্ত ব্যবহার করার ফলে. আপনার কাজকর্ম, পড়াশোনাসহ আরো অন্যান্য সমস্যার সম্মুখিন হতে হবে।

মোবাইল আসক্তি বলতে, আপনি যখন কোন প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত মাত্রায় মোবাইল ব্যবহার করবেন তখন তাকে মোবাইল আসক্তি বলা হয়। মানে আপনি মোবাইল ছাড়া কোন কিছুই বুঝার চেষ্টা করেন না।

উক্ত পরিস্থিতিতে আপনার মোবাইল ফোনে থাকা বিভিন্ন অ্যাপ, ইন্টারনেট, ইমেইল ইত্যাদি চালু করে থাকেন।

উক্ত  অতিরিক্ত মাত্রায় মোবাইল আসক্তি হিসেবে আমরা মদ, সিগারেট, জোয়া আরো অন্যান্য নেশার সাথে তুলনা করতে পারি। তার কারণ হলো নেশার মতো মোবাইল আসক্তি একটি মারাত্মক ক্ষতিকারক নেশা

কোন মানুষ যখন মোবাইল আসক্তিতে ভোগে তখন সেই মানুষ এর কাছে থেকে যদি মোবাইল ফোন সরিয়ে নেওয়া হয় তখন সেই ব্যক্তির কোন কাজে মন বসে না।

মোবাইল ফোনের সাথে এমন অনেক বিষয় গুলো জড়িত আছে। যে গুলোর জন্য লোকেরা না চাইলেও মোবাইল অতির্কিত ব্যবহার করে থাকে।


আরো পড়ুন : ছাত্রদের জন্য প্রয়োজনীয় মোবাইল অ্যাপ

সেগুলো হতে পারে যেমন-

  • মোবাইল গেম খেলা
  • মোবাইলে ভিডিও দেখা
  • ইউটিউটিব ভিডিও দেখা
  • সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করা ইত্যাদি।

উক্ত বিষয় গুলো মোবাইল ফোনে অতিরিক্ত ভাবে ব্যবহার করার ফলে লোকেরা বাস্তব জীবন থেকে আস্তে আস্তে বঞ্চিত হয়ে যাচ্ছে। যার ফলে মানুষের জীবনে অনেক ক্ষতির চিহ্ন দেখা যায়আমি আশা করি উক্ত ভাষ্য অনুযায়ী মোবাইল আসক্তি কি এই সম্পর্কে সঠিক ধারণা নিতে পারছেন।

মোবাইল আসক্তি’র ফলে কি কি ক্ষতি হতে পারে?

মোবাইল আসক্তি কি এই বিষয়ে উক্ত আলোচনায় বিস্তারিত জেনে নিতে পারছেন। আপনি এখন নিম্নোক্ত লেখা গুলো অনুসরণ করে, আপনি জেনে নিতে পারবেন মোবাইল আসক্তির কারণ সমূহ সম্পর্কে।

তো চলুন মোবাইল আসক্তির ফলে কি কি ক্ষতি হতে পারে সে গুলো জেনে নেওয়া যাক। যেমন-

ঘুমের সমস্যা :

আপনি যদি অতিরিক্ত মাত্রায় মোবাইল ব্যবহার করেন। তখন আপনার রাতে ঘুমের সমস্যা দেখা দিবে। যখন মোবাইল এর স্কিনে অনেক সময় ধরে তাকানো হয় স্ক্রিন থেকে চলে আসা আলো আমাদের মস্কিষ্কের উপর অনেক বেশি চাপ সৃষ্টি করে যার ফলে রাতে ঘুমের সমস্যা হয়ে থাকে।


আপনি যদি নিয়মিত ভাবে এরকম ভাবে মোবাইল ফোন অতিরিক্ত ভাবে ব্যবহার করেন তাহলে আপনার ঘুমের সমস্যা হবে পাশাপাশি আপনার স্বাস্থ্য খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।


চোখের ক্ষতি  :

মোবাইল স্ক্রিনের যে, আলো আমাদের চোখের সামনে চালু থাকে সেটি চোখের জন্য অনেক ক্ষতিকর। আপনি যদি অতিরিক্ত মাত্রায় মোবাইল আসক্তিতে ভোগেন তাহলে আপনার চোখের সমস্যা অনেক গুন বেড়ে যাবে।

কাজে মনযোগ নেই:

আপনি যখন মোবাইল আসক্তিতে ভোগবেন তখন আপনি কোন কাজে ফোকাস/ মনযোগ দিতে পারবেন না। সব সময় মনে হবে মোবাইলে একটা কিছু করি। এতে করে আপনার কাজকর্মে, পড়াশোনা সহ অন্যান্য কোন কাজেই মন বসবে না।


মস্তিষ্কের উপর চাপ সৃষ্টি :

অতিরিক্ত মাত্রায় মোবাইল ব্যবহার করার ফলে, মস্তিস্কের উপর চাপ সৃষ্টি করে। সকল সময় মোবাইল ব্যবহার করার ফরে মস্তিষ্ক একটু বিশ্রাম করার সুযোগ পায় না। এই জন্য মস্তিষ্কের উপর চাপ সৃষ্টি হয়ে থাকে।

যার কারণে আপনার জীবনে বিভিন্ন ধরণের সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে। যার ফলে, আপনার মন ভালো থাকবে না, অলসতা দেখা দিবে, সব সময় রাগ রাগ ভাব মনে হবে এছাড়া আরো অনেক গুলো সমস্যা দেখা দিবে।


মানসিক চাপ :

অতিরিক্ত ভাবে মোবাইল ব্যবহার করলে আপনার মধ্যে মানসিক চাপ সৃষ্টি হতে পারে। দেখা যায় যারা বেশি পরিমাণের মোবাইল ব্যবহার করে, তারা অন্যান্য স্বাভাবিক ব্যক্তির তোলনায় যে কোন  পরিস্থিতি অনেক বেশি নেগেটিভ চিন্তা করে থাকে এবং অস্থির হয়ে যায়।

৬. জীবনে উন্নতি হচ্ছেনা 

জীবনে উন্নতি করার জন্য নিজের পড়াশোনা, কাজ কর্ম এবং অন্যান্য জরুরি প্রত্যেক বিষয় গুলোর ওপরে আপনাকে নজর দিতে হবে।

তাই, মোবাইল আসক্তিতে থাকা ব্যক্তি কেবল মোবাইল নিয়েই সম্পূর্ণ দিন কাটিয়ে দিচ্ছে এবং সময় নষ্ট করছে।

এতে, ব্যক্তির ভবিষ্যৎ অন্ধকার এর দিকে এগিয়ে যায় এবং জীবনে কোনো ভাবেই সফলতা পাওয়া সম্ভব হয়ে উঠেনা।


৭. একা জীবন কাটানো 

দেখা গেছে যে মোবাইল আসক্তির ফলে ব্যক্তি প্রকৃত সমাজ থেকে দূরে চলে যায় এবং ফলে প্রকৃত জীবনে তাদের কোনো বন্ধু-বান্ধব থাকেনা বা হয়ে ওঠেনা বা তারা বন্ধু বানানোর চেষ্টাও করেনা।

এছাড়া, এই ধরণের ব্যক্তিরা সমাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখার ফলে প্রচুর লাজুক হওয়া দেখা যায় এবং একাকীত্ব (loneliness) সাথে জীবন কাটান।

সোজা ভাবে বললে, এই মোবাইল এর আসক্তির ফলে ব্যক্তি প্রকৃত জীবনে সম্পর্ক বানাতে এবং বজায় রাখতে অসফল হওয়া দেখা যায়।


মোবাইল আসক্তির লক্ষণ গুলো কি কি ?

আপনি যদিও মোবাইল আসক্তিতে ভোগেছেন কিন্তু নিজেও এর লক্ষণ গুলো জানতে পারছেন না। তাহলে চলুন মোবাইল আসক্তির লক্ষণ গুলো নিচের অংশ থেকে জেনে নেওয়া যাক। যেমন-

যখন আপনার মোবাইল এর ব্যাটারি চার্জ শেষ হয়ে মোবাইল বন্ধ হয়ে যায়, ইন্টারনেট সংযোগ না থাকে, তখন যদি আপনার মন ছটফট করে তাহলে বুঝতে পারবেন, আপনি মোবাইল আসক্তিতে ভোগছেন।

আপনি যখন লেখা-পড়া বা অন্যান্য কাজ ছেড়ে আপনার মোবাইলে অনলাইন চ্যাটিং, গেম খেলা, ভিডিও দেখার ইচ্ছা জাগে তাহলে আপনার অবশ্যই মোবাইল আসক্তি ভর করেছে।

অপ্রয়োজনে সব সময় মোবাইল এর নোটিফিকেশন চেক করা, সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন প্লাটফর্ম চালু করা, মোবাইলে আসা এসএমএস গুলো চেক করার মতো ইত্যাদি কাজ গুলোই হলো মোবাইল আসক্তির লক্ষণ।

অনেক লোক আছে, যারা রাতে মোবাইল ব্যবহার না করলে উদাসিন হয়ে যায়। মানে তাদের রাতে মোবাইল ব্যবহার না করলে যেন ঘুমই হয় না। মনে রাখবেন এটিও কিন্তু মোবাইল আসক্তির একটি লক্ষণ। উক্ত বিষয় গুলো ছাড়া, মোবাইল আসক্তির অনেক লক্ষণ আছে।

মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তির উপায় গুলো কি কি?

আপনি কি মোবাইল আসক্তিতে ভোগছেন? আপনি কি এই সমস্যার সমাধান জানতে চান। তাহলে আমাদের দেওয়া নিম্নোক্ত লেখা গুলো মনযোগ দিয়ে পড়ুন।

প্রথমেই বলে রাখি আপনি যদি মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই মোবাইল ফোন থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে।

আপনি যত বেশি নিজেকে মোবাইল থেকে দূরে রাখতে পারবেন, ঠিক তত ভালো ভাবে আসক্তি নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারবেন।


মোবাইলের সাথে জড়িত মূল আসক্তি গুলো কি কি ?

  • অত্যাধিক পরিমানে social networking, dating apps, texting এবং messaging এর ব্যবহার।
  • অত্যাধিক web surfing, watching videos, playing games, checking news feeds এবং notification.
  • সব থেকে বড় এবং খারাপ আসক্তি যেটা বর্তমানে সব থেকে অধিক ক্ষতি করছে সেটা হলো, অনলাইন পর্ন/সেক্স ভিডিও দেখার আসক্তি।
  • সোশ্যাল মিডিয়া সাইট গুলোতে গিয়ে নতুন কনটেন্ট এর অপেক্ষায় সব সময় স্ক্রল করতে থাকা।
  • অনলাইন গেমিং এর আসক্তি আজ বাচ্ছাদের পড়াশোনার ওপর সাংঘাতিক খারাপ প্রভাব ফেলছে বললে আমি ভুল হবোনা।
  • YouTube এবং অন্যান্য video site / portal গুলোতে গিয়ে সারা দিন ভিডিও দেখা এবং সময় নষ্ট করা।


মোবাইল থেকে দূরে থাকার উপায় গুলো

আপনি যদি মোবাইল থেকে দূরে থাকেন তাহলেই আসক্তি থেকে মুক্ত পাবেন। সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের অংশ অনুসণ করুন।


মোবাইল নিজের সামনে রাখবেন না

আপনি যখন লেখা-পড়া করবেন সেই সময়, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে, প্রয়োজনীয় কাজ করার সময় মোবাইল ফোন দূরে কোথাও সরিয়ে রাখবেন। কিন্তু বাহিরে কোথাও গেলে আপনার মোবাইল ফোন সাথে নিয়ে যাবেন।

আপনার চোখের সামনে যখন মোবাইল ফোন থাকবে না, তখন কিছু সময় এর জন্য হওে কাজে মন বসাতে পারবেন। এরকম ভাবে মোবাইল নিজের থেকে দূরে রেখে আসক্তি থেকে মুক্তি পাবেন।


বই পড়ুন

আপনার কাছে যদি অনেক অবসর সময় থাকে, সেক্ষেত্রে মোবাইল ব্যবহার করা বাদ দিয়ে চেষ্টা করবেন অবসর সময়ে বিভিন্ন বই পড়ার অভ্যাস করবেন।

আপনি যদি মোবাইল ব্যবহার বাদ দিয়ে বই পড়েন তাহলে অনেক উপকৃত হবেন। এতে আপনি অনেক কিছু শিখতে পারবেন, মন ভালো লাগবে, আপনার অবসর সময়ও কেটে যাবে। এছাড়া বই পড়ার অভ্যাস শুরু করতে ধিরে ধিরে মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তি পাবেন।


মোবাইল ব্যবহার করার সময় নির্ধারণ

আপনি যদি মোবাইল আসক্তিতে ভোগে থাকেন। তাহলে আপনাকে আপনাকে অবশ্যই মুক্তির পথ খোজে নিতে হবে।

আর সেই পথ হিসেবে আপনার মোবাইল ব্যবহার করার সময় নির্ধারণ করতে হবে। কারণ আমরা বর্তমান সময়ে ডিজিটাল যুগে বসবাস করি। তাই আমাদের মোবাইল ফোন ছাড়া কোন ভাবে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হবে না।

তাই আমাদের জীবন চলার পথে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেই হবে। তাই আপনি যাতে মোবাইল আসক্তিতে না পড়েন। সেই জন্য আপনাকে মোবাইল ব্যবহার করার সঠিক সময় নির্ধারণ করে নিতে হবে।

আপনার কাজের প্রয়োজনে যেটুকু সময় মোবাইল দরকার সেই সময় পর্যন্ত ফোন ব্যবহার করুন। তাহলেই দেখতে পারবেন আপনার মোবাইল আসক্তি দূর হয়ে যাচ্ছে।


যতটা সম্ভব মোবাইলে কম এপস রাখুন 

  • আপনার মোবাইলে যত বেশি এপস (apps) থাকবে ততটাই বেশি মন করবে মোবাইল ব্যবহার করার।
  • এছাড়া, অধিক apps থাকা মানে সারাদিন অধিক notification আসতেই থাকা।
  • তাই, কাজের বাইরের কোনো এমন অপ্রয়োজনীয় apps মোবাইলে রাখবেননা যেগুলো কেবল আপনার সময় নষ্ট করে থাকে।
  • সারা দিন সোশ্যাল মিডিয়াতে অন্যান্য ব্যক্তিদের ছবি এবং ভিডিও দেখে আপনি তাদেরকে like, follow, income দিচ্ছে, তবে আপনি কি পাচ্ছেন ?
  • পাচ্ছেন তো দূরের কথা, উল্টো আপনার জীবনের মূল্যবান এবং গুরুত্বপূর্ণ সময় গুলো আপনার থেকে কেড়ে নিচ্ছে এই অপ্রয়োজনীয় apps এবং site গুলো।
  • তাই, মোবাইলে এমন কোনো apps রাখবেননা যেগুলো আপনাকে নিজের কাজের সময়ে ডিস্ট্রাক্ট (distract) করতে পারে।
  • নিজেকে মোবাইল থেকে দূরে রাখার এটা কিন্তু দারুন উপায়।


আমাদের শেষ কথা,

তাহলে বন্ধুরা, আশা করছি আপনারা, মোবাইল আসক্তি কি ?, স্মার্টফোন আসক্তির লক্ষণ, মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তির উপায় এবং মোবাইল থেকে দূরে থাকার উপায় গুলো কি কি, সবটাই আমাদের আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে ভালো করে বুঝতে পেরেছেন। 


আরো পড়ুন:

  1. আই ফোন সারা পৃথিবীতে বিখ্যাত কোনো 
  2. প্রসেসর কি 
  3. বাংলাদেশে dslr ক্যামেরার দাম 
  4. সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং কি ?
  5. বিশ্বের সেরা 11টি জনপ্রিয় অনলাইন মোবাইল গেম
  6. নতুন গেমিং ল্যাপটপ 2022
  7. নতুন গেমিং পিসি 2022 |
  8. ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা দামের মধ্যে ভালো ফোন 
  9. কম্পিউটার ভাইরাস কি ? কম্পিউটারে ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় কি ?
  10. 10000-এর নীচে সেরা ফোন 

0/পোস্ট এ কমেন্ট/Comments