আউটসোর্সিং কি? সুবিধা ও অসুবিধা কি কি ? What is outsourcing? What are the advantages and disadvantages?




আউটসোর্সিং কি? সুবিধা ও অসুবিধা কি কি ? What is outsourcing? What are the advantages and disadvantages ?



আউটসোর্সিং হল একটি ব্যবসায়িক অনুশীলন যেখানে একটি কোম্পানী কাজ সম্পাদন করতে , অপারেশন পরিচালনা করতে বা কোম্পানির জন্য পরিষেবা প্রদানের জন্য একটি তৃতীয় পক্ষকে নিয়োগ করে। কোম্পানিগুলি সম্পূর্ণ বিভাগগুলিকে আউটসোর্স করতে পারে, যেমন এর সম্পূর্ণ আইটি বিভাগ, বা শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট বিভাগের কিছু অংশ।

বর্তমান সময়ে বহু মানুষের জিজ্ঞাসিত যার কেতাবি নাম আউটসোসিং। তার সাথে অনলাইন এর এসব বিষয় নিয়ে কিছু ভুল ধারণা বা ভুল তথ্য নিয়ে আলোচনা করব।


আপনি এই পোস্টে জানতে পারবেন আউসোর্সিং কি? আউটিসোসিং কিভাবে শিখব? আপনি যদি উক্ত বিষয়ে সঠিক তথ্য পেতে চান তাহলে আমাদের লেখা গুলো শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

এখনকার সময়ে অনেকেই গুলিয়ে ফেলে ফ্রিল্যান্সিং, আউটসোসিং, মার্কেটার কিংবা ফ্লিপার এর লো আপনাদের সামনে তুলে ধরণে এই আর্টিকেল লেখা। তাই শেষ পর্যন্ত আমাদের লেখা পড়ুন।


সহজ ভাষায় আউটসোর্সিং কি ?

আরো সহজ ভাষায় যদি আউটসোর্সিং কি বলি, নিজের কোন কাজকে কন্টাক করে অন্য কোন লোক দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়া কে আউটসোর্সিং বলে। যে কাজ করে সে হচ্ছে ফ্রিল্যান্সার এবং যে কাজ করিয়ে নেয় সে হচ্ছে আউটসোর্সার।

আবার অনেকে ভেবে থাকেন আউটসোর্সিং শুধু অনলাইনে হয়ে থাকে বিষয়টা কিন্তু সঠিক নয়। অনেক কোম্পানি নিয়োগ না দিয়ে অফলাইনে কন্টাক করে তাদের কোম্পানির কাজ করিয়ে থাকে। যা আউটসোর্সিং এর আওতায় পড়ে।


বহুল ব্যবহৃত আউটসোর্সিং কাজগুলি হলো:

  • Content writing
  • Customer support service
  • Marketing
  • Engineering
  • Research and design
  • Computer programming services
  • Tax compliance
  • Supply chain management
  • Human resource management
  • Accounting
  • Finance
  • Training administration


আউটসোর্সিং এর উদাহরণ

বিজ্ঞাপন, অফিস এবং গুদাম পরিষ্কার করা এবং ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট হল আউটসোর্সিং এর সেরা উদাহরণ। বেশিরভাগ ব্যবসার মালিক আউটসোর্সড বিশেষজ্ঞদের কাছে কর্তৃত্ব অর্পণ করে যখন এটি হিসাবরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ, নিয়োগের ক্ষেত্রে আসে। এটি এন্টারপ্রাইজগুলিকে তাদের বেশিরভাগ সংস্থান প্রধান কার্যকলাপে ফোকাস করতে সহায়তা করে।


আইটি-আউটসোর্সিং: প্রতিটি কোম্পানি একজন উচ্চ যোগ্য আইটি-বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করতে চায়, কিন্তু প্রতিটি কোম্পানিই ভালো বেতন দিতে পারে না। কোনো সীমিত কাজের জন্য প্রতিটি কোম্পানির মধ্যে এমন একজন বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন নেই। তাই বিভিন্ন সফটওয়্যার ও সাইবার সুরক্ষার জন্য আইটি আউটসোর্সিং করা হয়ে থাকে।


অ্যাকাউন্টিং: বিভিন্ন ব্যাবসার ক্ষেত্রে একাউন্টিং করার জন্য একটি একাউন্ট এর জন্য কোনো ব্যাক্তিকে স্থায়ী কর্মচারী রাখা সম্ভব না হলে, বছরের শেষে হিসেবের জন্য একজন একাউন্টিং এর ব্যাক্তিকে দিয়ে আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে কাজ করা হয়ে থাকে।


আইনি পরিষেবা: যদি একটি এন্টারপ্রাইজের আইন ভঙ্গ করার অভ্যাস না থাকে, তাই কর্মীদের স্থায়ী আইনজীবীর প্রয়োজন নেই। বেশিরভাগ ব্যবসার বছরে কয়েকবার আইনি পরিষেবার প্রয়োজন হয়। একটি আইন কোম্পানির সাথে একটি চুক্তি যোগ্য আইনি সহায়তা পাওয়ার একটি ভাল উপায়। আপনাকে শুধুমাত্র আপনার আইনি সমস্যা সমাধানের জন্য অর্থ প্রদান করতে হবে।


লজিস্টিক আউটসোর্সিং: অনেক বছর আগে, পরিবহন এবং গুদাম প্রক্রিয়া সমন্বয়ের জন্য দায়ী বৃহৎ কর্মী প্রস্তুত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য উদ্যোগগুলিকে প্রচুর অর্থ বিনিয়োগ করতে হয়েছিল। আজকাল, আপনাকে একটি বিশেষ পরিবহন বিভাগ বজায় রাখতে হবে না। আপনাকে শুধুমাত্র একটি লজিস্টিক কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করতে হবে।


আউটসোর্সিং এর কারণ

আউটসোর্স করার সবচেয়ে সাধারণ কারণগুলির মধ্যে রয়েছে:


  • অপারেটিং, শ্রম এবং ওভারহেড খরচ কমানো
  • বহিরাগত সংস্থাগুলিকে পরিচালনা এবং নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন এমন দায়িত্বগুলি অর্পণ করে নমনীয়তা এবং দক্ষতার উন্নতি করা
  • কোম্পানির মূল দক্ষতার উপর আরো ফোকাস করা, এবং এইভাবে বহিরাগত কোম্পানিগুলিতে সময়-সাপেক্ষ প্রক্রিয়াগুলি আউটসোর্সিং করে এর প্রতিযোগিতামূলক সুবিধাগুলি উন্নত করা
  • বহিরাগত দলগুলির সাথে ঝুঁকি ভাগ করে নেওয়া এবং অর্থপূর্ণ অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার মাধ্যমে ঝুঁকি হ্রাস করা
  • অভ্যন্তরীণ সম্পদ মুক্ত করা এবং অন্যান্য উদ্দেশ্যে সম্পদ ব্যবহার করা


আউটসোর্সিং এর সুবিধা কি কি?

  • আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ পাবেন এবং ওই কাজটি হওয়ার জন্যই টাকা দিতে হবে। ওই বিশেষজ্ঞকে স্থায়ীভাবে কোম্পানিতে রাখার প্রয়জন হয় না আর ফলে খরচ কমে যায়।
  • বাইরে থেকে কোনো কাজ করিয়ে নিলে কাজটি দ্রুত করা সম্ভব হয়।
  • কোনো কাজ আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে করার ফলে কোম্পানির আসল ব্যাবসার ওপরে ভালোভাবে নজর দেওয়া সম্ভব হয়।
  • প্রকল্প পরিচালনাকে সহজ করতে পারেন
  • আপনি যদি আউটসোর্সিং এর কাজ নিয়ে থাকেন তাহলে যেকোনো সময় আউটসোর্সিং এর কাজ করতে পারেন।


ফ্রিল্যান্সিং এর সুবিধাসমূহ হলোঃ


আপনি কোনো কাজ ইচ্ছার বিরুদ্ধে করতে বাধ্যগত নন।

চাকরির মত সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা কিংবা সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত কাজ করতে হবে এমন কোনো বাধাধরা নিয়ম নেই ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে। একজন ফ্রিল্যান্সার তার যখন ইচ্ছা কাজ করতে পারেফ্রিল্যান্সার এর কোনো বস থাকেনা, তিনি নিজেই নিজের বস।

ফ্রিল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে নিজের শিডিউলের সিদ্ধান্ত ফ্রিল্যান্সারের নিজের।

আউটসোর্সিং এর সুবিধাসমূহ কি?


  • কম অর্থ ও রিসোর্স ব্যয় করে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদন করা যায়।
  • আউটসোর্সিং এর জন্য নিয়োগ করা ফ্রিল্যান্সারের জন্য কোনো বড় দায়িত্ব নিতে হয়না বা ফ্রিল্যান্সারকে কোনো ধরনের অফিস স্পেস দিতে হয়না।ন।
  • একজন 


আউটসোর্সিং এর কিছু ঝুকিপূর্ণ দিক- 

আউটসোর্স  করার সময় আপনার বিজন্যাসের Turn Around অনেক সময় স্লো হয়ে যেতে পারে। 

যে কাজটি করিয়ে নিচ্ছেন বা যে সার্ভিসটি গ্রহণ করছেন, তার ভাল মন্দ যাচাই বাছাই করার ক্ষমতা না থাকলে, আপনি ঠকে যেতেই পারেন যেকোন সময়। 

যখন আপনি ফ্রিল্যান্সার বা অন্য কোন কোম্পানি থেকে আউটসোর্স করবেন, তখন স্বভাবতই ওই পুরো ব্যাপারটির উপর আপনার সম্পূর্ণ কন্ট্রোল থাকবে না। এটি অনেকক্ষেত্রে কিছু অস্বস্তিকর অনুভূতি এনে দিতে পারে। তবে আপনি যদি রিলেশনশিপ বিল্ড আপে দক্ষ হন ও ভাল ম্যানেজমেন্ট করতে জানেন, তবে এটি তেমন কোনও সমস্যা নয়। 

অনেক সময় ভাষা, টাইম জোন ও সাংস্কৃতিক পার্থক্য আউটসোর্সিং-এর ক্ষেত্রে অন্তরায় হিসেবে কাজ করতে পারে, যদি আপনি সময়ের সাথে সাথে নিজেকে বৈশ্বিক হিসেবে গড়ে তুলতে না পারেন। 

যদি আপনার আউটসোর্সিং ও বিজন্যাস নলেজে প্রচুর গ্যাপ থাকে, বা অভিজ্ঞ না হন- সেক্ষেত্রেও আউটসোর্সিং আপনার জন্য উপকারী ব্যবসায়িক পন্থা হিসেবে ধরা না-ও দিতে পারে। 


কি কি ধরনের কাজ আউটসোর্স করা যায়? 

আউটসোর্স করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে টাকা, সময় ও শ্রমকে সাশ্রয় করে নিজের ব্যাবসাকে উন্নত ও গতিশীল করা। এই ক্ষেত্রে ঠিক যে কাজগুলো অনলাইন বা অফলাইনে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে করা যায়, ঠিক তেমনি একি কাজগুলোকে আউটসোর্স-ও করা যায়।


মানে, মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। একখানে হায়ারড হওয়া (ফ্রিল্যান্সার), আর একখানে হায়ার করা (আউটসোর্সার)। নিচে আউটসোর্সিং করা যায়, এমন কিছু কাজের নাম জেনে আসি তবে- 


  • কন্টেন্ট রাইটিং, কপি রাইটিং 
  • সেলস & মার্কেটিং 
  • একাউন্টিং ও বুকিকিপিং 
  • ডিজাইন ও ম্যানুফ্যাকচারিং 
  • গ্রাফিকস ডিজাইন 
  • অডিও, ভিডিও এডিটিং 
  • কাস্টমার সার্ভিস 
  • এডমিন্সট্রেশন ও ব্যাক অফিস সার্ভিস 
  • পারসোনাল এসিস্ট্যান্ট বা VA 
  • ওয়েব ডেভেলপমেন্ট 
  • এসইও এক্সপার্ট 
  • ব্লগার 
  • প্রোগ্যামার 
  • ডাটা এন্ট্রি অপারেটর 
  • হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজার 
  • সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটার 
  • ফ্লিপার 
  • ট্যাক্স ফিলিং এক্সপার্ট 
  • ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট আউটসোর্স 
  • আউটসোর্স পে রোল প্রসেসিং এক্সপার্ট 
  • রিসার্চ & সাপোর্ট 
  • শিপিং ও লজিস্টিকস 
  • আইটি ম্যানেজমেন্ট 
  • যেকোন ধরনের সৃষ্টিশীল কর্ম, যেমন- কারো আঁকা ছবি, গাওয়া গান, লেখা কবিতা, গানের কথা/লিরিক্স/সুর, ইত্যাদি ইত্যাদি…
  • এছাড়াও আরও বহু বহু কাজ আউটসোর্স করা যায়, আউটসোর্সিং করার ওয়েবসাইটগুলোর মাধ্যমে।


আউটসোর্সিং এর অসুবিধাসমূহ কি?


আপনার প্রয়োজনীয় কাজ সম্পাদন হওয়ার কোনো গ্যারান্টি নেই। একজন ফ্রিল্যান্সার উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে কোনো কাজ প্রত্যাখ্যান করে দিতে পারেন।

আউটসোর্সিং এর ক্ষেত্রে প্রতিবার কাজের মান আপনার আশানুরূপ না ও হতে পারে।

কোনো কাজ সম্পাদনে সাধারণ উপায়ের চেয়ে আউটসোর্সিং এর ক্ষেত্রে অধিক সময় লাগতে পারে।

অর্থাৎ আউটসোর্সিং এর জন্য নিয়োগ করা কর্মী হচ্ছেন ফ্রিল্যান্সার। আবার তিনি যে কাজ পেয়ে থাকেন তা মূলত কোনো প্রতিষ্ঠানের কাজ যা তাকে আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রদান করা হয়।

  • সংবেদনশীল তথ্য হারানোর ঝুঁকি এবং বহিরাগত দলগুলিতে আউটসোর্সিং কার্যক্রম বা প্রক্রিয়া দ্বারা গোপনীয়তা হারানোর ঝুঁকি
  • আউটসোর্সিং কোম্পানিগুলি প্রচুর সূক্ষ্ম মুদ্রণের সাথে দীর্ঘ চুক্তিভিত্তিক চুক্তি তৈরি করে লুকানো বা অপ্রত্যাশিত খরচ আরোপ করতে পারে
  • গুণমান নিয়ন্ত্রণের অভাব, কারণ আউটসোর্সিং সংস্থাগুলি প্রায়শই ভাল কাজ করার দিকে মনোনিবেশ না করে লাভ-চালিত হয়
  • ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণের ক্ষতি এবং আউটসোর্স করা ক্রিয়াকলাপ বা প্রক্রিয়াগুলির ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণ করতে অক্ষমতা


কিভাবে আউটসোর্সিং করার জন্য পোস্ট দিতে হয়?

দেখুন, সব ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলোতে খুব সহজেই আপনি আপনার নির্দিষ্ট কাজটির জন্য লোক হায়ার করতে পারবেন খুব সহজেই। তবে সব সাইট কিছু আলাদা ক্রাইটেরিয়া রাখে, মানে নিজেকে অন্যদের থেকে আলাদা রাখতে চায়। তবে বেসিক সবকিছু একই। 


একাউন্ট করতে হবে আউটসোর্স করতে গেলে- এটা সবখানে একই। তবে ফাইভারের ক্ষেত্রে জব ডিটেইলস সেভাবে না লিখেও আপনি বিভিন্ন সেলারের গিগ দেখে ডিরেক্ট অর্ডার করতে পারেন। যদি আপনার পছন্দ হয় রিভিউ, রেটিংস দেখে।


আপওয়ার্ক ও ফ্রিল্যান্সারের জব পোস্ট করা মোটামুটি একই। সেটি নিয়েই এখানে একটু আলোচনা করতে চাই। নিচে মূলত আপওয়ার্ক নিয়ে আলোচনা করছি 


  • প্রথমেই আউটসোর্সার বা বায়ার বা জব গিভার হিসেবে একটা সুন্দর একাউন্ট করে ফেলুন। 
  • তারপর কি ধরনের কাজ বা প্রজেক্ট করাতে চাইছেন তার নাম ও ক্যাটাগরি সিলেক্ট করুন। এইখানে সবকিছু খুব স্পষ্ট করে দেয়া উচিত, যেন ফ্রিল্যান্সাররা আপনার চাহিদা সহজেই বুঝতে পারে।
  • আপনার জব নিয়ে একটা ইফেক্টিভ ডেস্ক্রিপশন লিখুন। যেখানে কতটি কাজ, কতগুলো কাজ, বা কতদিনের জন্য আপনি কাউকে হায়ার করতে চান, কি ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে আপনার জবে, কি কি করতে হতে পারে, ইত্যাদি সম্পর্কে ধারণা দিন।
  • প্রজেক্ট ডিটেইলস এ গিয়ে স্পষ্ট করে প্রজেক্টটি ওয়ান টাইম না কি লং টাইম, একক ফ্রিল্যান্সার চাচ্ছেন না কি দলগত নাকি কোম্পানি খুঁজছেন আপনার কাজটি সম্পন্ন করার জন্য সেটিও লিখুন। কাজের কিছু স্যাম্পল শেয়ার করতে পারেন, এবং বলতে পারেন এই ধরনের কাজ বা আইডিয়া মাথায় ঘুরঘুর করছে। কিন্তু আমি এর চেয়ে ভাল কিছু আশা করছি। লগো ডিজাইনের ক্ষেত্রে সেটা হতে ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা একটি ইমেজ। এরকম অনান্য জবের জন্য যেটি প্রযোজ্য হবে, সেরকম কিছু প্রোভাইড করতে পারেন। আসলে, করা উচিত।
  • এরপর এক্সপার্টাইজ সেকশনে গিয়ে একজন ফ্রিল্যান্সার বা কোম্পানির কাছে আপনি কী ধরনের যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা আশা করেন- সে সম্পর্কে অল্প কথায় সুন্দর করে গুছিয়ে লিখুন। 
  • আপনি যদি নির্দিষ্ট একটি দেশ বা অঞ্চলের লোকজনকেই শুধু আপনার কাজটি দিতে বা করিয়ে নিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, তবে ফ্রিল্যান্সার ইন্ডিকেট লোকশনটিকে কাজে লাগিয়ে সেইসব অঞ্চল, দেশ সিলেক্ট করুন।
  • তারপর আপনি চুজ করতে পারেন- কে কে আপনার জব পোস্টটি দেখতে পাবে। অপশন পেয়ে যাবেন, সেখান থেকে ইচ্ছেমতো চুজ করে নিতে পারেন।
  • সবশেষে কত টাকা আপনি আপনার কাজটি সম্পন্ন করার জন্য ব্যয় করতে চান সেটি একদম স্পষ্ট করে দিন। হতে পারে সেটা আওয়ারলি পেমেন্ট কিংবা ফিক্সড পেমেন্ট। আওয়ারলি বলতে প্রতি ঘন্টায় ফ্রিল্যান্সারের কাজের জন্য কত টাকা বা ডলার আপনি স্পেন্ড করতে চান। আর ফিক্সড মানে, পুরো কাজ বা প্রজেক্ট শেষ করার পর আপনি কি পরিমাণ পে করতে চান। অতি অবশ্যই যত ভাল কাজ চাইবেন, ততটা গুড় বা টাকা আপনাকে অফার করতে হবে।
  • আপনার জব পোসটি পুনরায় রিভিউ করুন। কিছু বাদ গেল কি না, বা ভুল হল কি না। আপনার অনান্য কো-ওয়ার্কার সেখানে আগে থেকে থাকলে, তাদের জব পোস্টটি মেইল-ও করতে পারেন।
  • আর জব পোস্ট করার পর কোয়ালিফাইড ক্যান্ডিডেটদের যাচাই করুন। সেক্ষেত্রে এই আর্টিকেলে লেখা “আউটসোর্সিং এর জন্য কিভাবে লোক নির্বাচন করব“- এই প্যারাটি আপনাকে আইডিয়া জেনারেট করতে সাহায্য করবে।



শেষ কথাঃ

তো বন্ধুরা, এই পোস্টে আপনি জানতে পারলেন, আউটসোর্সিং কি? কিভাবে আউটসোর্সিং শিখবেন। আপনি যদি উক্ত বিষয় গুলো পড়েন। তাহলে সঠিক তথ্য গুলো জেনে নিতে পারছেন আশা করা যায়।


আমাদের লেখা আপনার কাছে কেমন লাগলো অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আরো নতুন আর্টিকেল পড়তে চাইলে নিয়মিত ভিজিট করুন ধন্যবাদ।


আরো পড়ুন:

  1. আই ফোন সারা পৃথিবীতে বিখ্যাত কোনো 
  2. প্রসেসর কি 
  3. বাংলাদেশে dslr ক্যামেরার দাম 
  4. সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং কি ?
  5. বিশ্বের সেরা 11টি জনপ্রিয় অনলাইন মোবাইল গেম
  6. নতুন গেমিং ল্যাপটপ 2022
  7. নতুন গেমিং পিসি 2022 |
  8. ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা দামের মধ্যে ভালো ফোন 
  9. কম্পিউটার ভাইরাস কি ? কম্পিউটারে ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় কি ?
  10. 10000-এর নীচে সেরা ফোন |s


0/পোস্ট এ কমেন্ট/Comments