বাচ্ছাদের জন্য ল্যাপটপ কিনা কি দরকার ? Do kids need a laptop or not?

 বাচ্ছাদের জন্য ল্যাপটপ কিনা কি দরকার ?


সামান্ন কিছু কথা বাচ্চাদের ল্যাপটপ কিনে দেয়ার আগে 

বাচ্ছাদের পড়াশোনা এর পাশাপাশি খেলাধুলা ও বিনোদন করা প্রয়োজন । তাই ডিজিটাল যুগে আধুনিক কিছু  ল্যাপটপ তৈরি করেছে অনেক কোম্পানি ।

এই লাপপ গুলো দেকতে অনেক সুন্দর ও এর স্টাইল অন্য ল্যাপটপের থেকে আলাদা ।

আপনি যদি নিজেকে বাচ্চাদের জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ ল্যাপটপগুলি সন্ধান করতে দেখেন তবে এমন কয়েকটি নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে যা আপনার বিবেচনায় নেওয়া উচিত। স্থায়িত্ব এবং পিতামাতার নিয়ন্ত্রণ বিকল্পগুলি খরচগুলি নিয়ে চিন্তা করবেন না কারণ আপনি আপনার বাচ্চাটির জন্যকম দামে  ল্যাপটপ কিনতে পারবেন। 


বেশিরভাগ বাচ্চাদের (এবং পিতামাতাদের) জন্য এই প্রসঙ্গে একটি ল্যাপটপ কিনতে অনেক অর্থ দেয়। তারা রান্নাঘরের টেবিলে বা স্কুলে থাকুক না কেন তাদের কাজ করতে বা খেলতে দেওয়ার অর্থ হল যে তারা তাদের কম্পিউটারটি পুরোপুরি ব্যবহার করতে সক্ষম হয়েছে। সুতরাং, আমরা বর্তমানে বাজারে থাকা ল্যাপটপগুলিতে আপনার বাচ্চার জন্য বিবেচনা করার জন্য আপনার সেরা বিবেচনার জন্য একটি তালিকাতে রেখেছি


উদাহরণ হিসাবে কিছু তথ্য প্রদান করা হলো আপনার সুবিধার্থে ।

একবার আপনার ল্যাপটপটি পরুপুরী  পরিষ্কার হয়ে গেলে যেমন মসৃণভাবে চলে, আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে এটি নিরাপদ এবং সুরক্ষিত। এতে কোনো জটিল নিরাপত্তা ব্যবস্থা সেট আপ করা হবে না। আসলে, বেশিরভাগ উইন্ডোজ মেশিন উইন্ডোজ ডিফেন্ডারের সাথে আসে, যা একটি কঠিন অ্যান্টিভাইরাস । যদি শিশুটি একটি ম্যাক ব্যবহার করে,  তবে ব্রাউজ করার সময় এটি নিরাপদ এবং সুরক্ষিত তা নিশ্চিত করতে আপনাকে এখনও ম্যালওয়্যার থেকে আপনার ম্যাককে রক্ষা করতে হবে।


নিরাপত্তা সবার জন্য কোনো জরুলি জেনে নিন 

একবার নিরাপত্তা ঠিক হয়ে গেলে, আপনি ল্যাপটপ ব্যবহার করে তরুণদের জন্য দ্বিতীয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সেট আপ করতে চাইবেন: পিতামাতার নিয়ন্ত্রণ। প্রযুক্তি এবং ইন্টারনেটের সাথে একটি শিশুর সুস্থ সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য ব্যবহারের জন্য সময় সীমাবদ্ধ করা, 

নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য, অনুপযুক্ত ওয়েবসাইট এবং বিষয়বস্তু অ্যাক্সেস করা অপরিহার্য।  Macs অ্যাপ ব্যবহার এবং স্ক্রীন টাইমের সীমাবদ্ধতার সাথে বাচ্চাদের জন্য বিশেষভাবে ব্যবহারকারী অ্যাকাউন্ট তৈরি করার ক্ষমতা রাখে । Windows 7 এবং Windows 10 উভয়েরই শক্তিশালী পিতামাতার নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। Windows 10 এমনকি বাচ্চাদের কাজ এবং খেলার সময় আরও বেশি নিরাপত্তার জন্য তাদের অ্যাকাউন্ট তৈরি এবং নিরীক্ষণ করার অনুমতি দেয়।

SO, আর দেরি নয় চলুন দেকে নি সুন্দর ল্যাপটপ গুলো ।


NO 1. আসুস ভিভোবুক এক্স 420

এই ল্যাপটপ টি অসদরণ লাগে,ল্যাপটপটির ডিজিএন সবাইকে পাগল করে দেয় । জানিনা আমারও কোনো ভালো লাগে ।
প্রদর্শিত হিসাবে দুর্দান্ত বাজেটের ল্যাপটপের ক্ষেত্রে আসুস কিছুটা মাস্টার এ ভিভোবুক সিরিজটি আরও প্রিমিয়াম জেনবুক লাইনের তুলনায় সস্তা ভাই, তবে এখনও দুর্দান্ত বৈশিষ্ট্য-সেট রয়েছে। এই মডেলটি সম্পূর্ণ এইচডি ডিসপ্লের পিছনে একটি কোর আই 3 প্রসেসর প্যাক করে এবং বোর্ডে একটি ছোট কিন্তু জিপ্পি এসএসডি সহ সুন্দর এবং সহজভাবে ব্যবহারে অনুভব করবে।

Features

  • MPN: EC084T
  • Model: VivoBook Flip 14 TM420UA
  • AMD Ryzen 5 5500U Processor (8M Cache, 2.1GHz up to 4.0GHz, 6 cores)
  • 8GB LPDDR4X RAM
  • 512GB M.2 NVMe PCIe 3.0 SSD
  • 14" FHD (1920X1200) Touch Display

  • যে বাচ্চারা এই লার্নিং কম্পিউটারটি খেলেন তারা কেবল শরীর শিথিল করার জন্য নয়, অপটিক স্নায়ু শিথিল করার জন্য শরীর, চোখ এবং কান অনুশীলন করতে পারেন, যা সন্তানের বৃদ্ধির পক্ষে সহায়ক.


NO 2.    Dell Inspiron 5437 Core i5 4th Gen 4GB RAM

আপনার বাচ্ছাদের জন্য এই ল্যাপটপ টি দেখতে পারেন ।

Dell Inspiron 5437 ল্যাপটপে রয়েছে Intel Core i5 4th জেনারেশন, 4GB RAM, 500GB HDD স্টোরেজ, Intel HM87 Express চিপসেট, 14.1-ইঞ্চি সাইজের ব্রাইট ভিউ LED স্ক্রিন ডিসপ্লে।

Dell Inspiron 5437 অসাধারণ পার্ফম্যাস করে ।

এই ল্যাপটপ টি ব্যবহার করার পর আপনি বুজতে পারবেন এইটা কেমন জিনিস মামা ।

এই ল্যাপটপ টির কিছু বিবরণ জেনে নিন 

  • ল্যাপটপ টাইপ স্ট্যান্ডার্ড
  • প্রসেসর টাইপ Intel Core i5-4200U 4th জেনারেশন
  • প্রসেসর স্পিড বেস ফ্রিকোয়েন্সি 1.6 GHz পর্যন্ত 2.6 GHz, 3MB ক্যাশে
  • চিপসেট ইন্টেল HM87 এক্সপ্রেস চিপসেট
  • স্ক্রীন সাইজ 14.1-ইঞ্চি ব্রাইট ভিউ LED
  • RAM 4GB DDR3
  • হার্ড ডিস্ক 500GB 5400rpm
  • ডিস্ক টাইপ HDD
  • অপটিক্যাল ড্রাইভ 8x ডুয়াল লেয়ার ডিভিডি R+W ড্রাইভ
  • গ্রাফিক্স কার্ড ইন্টিগ্রেটেড ইন্টেল এইচডি গ্রাফিক্স 4400
  • অডিও/স্পীকার বিল্ট-ইন অডিও
  • নেটওয়ার্কিং 1Mbps গিগাবিট ইথারনেট, LAN, Wi-Fi, USB, Bluetooth
  • ওয়েবক্যাম 1.3 এমপি ওয়েব ক্যামেরা
  • কার্ড রিডার Realtek 8:1 মাল্টি কার্ড রিডার
  • ব্যাটারি 4 সেল লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি
  • পণ্যের ওজন (কেজি) 2.0 কেজি



NO 3.   Asus X542UN 8th Gen Core i5 With Graphics 

  • Asus X542UN
  • Intel Core i5 -8250U (1.6 GHz up to 3.4 GHz)
  • 8GB DDR4 Ram
  • 1TB HDD
  • 4GB DDR5 Graphics


  • Intel Core i5 8th Gen-8250U (6M ক্যাশে, 1.6 GHz পর্যন্ত 3.4 GHz)
  • 8GB DDR4 র‍্যাম
  • স্টোরেজ SATA 1TB 5400RPM 2.5' HDD
  • SATA3 M.2 SSD স্লট উপলব্ধ
  • ডিসপ্লে 15.6" //আল্ট্রা স্লিম 200 nits//FHD 1920x1080 16:9//Anti-glare//NTSC:45%
  • গ্রাফিক্স কার্ড Nvidia MX150 4GB DDR5
  • ক্যামেরা ভিজিএ ওয়েব ক্যামেরা (স্থির প্রকার)
  • ইন্টারফেস 1x হেডফোন-আউট এবং অডিও-ইন কম্বো জ্যাক
  • LAN সন্নিবেশের জন্য 1x RJ45 LAN জ্যাক, 1x VGA পোর্ট (D-Sub), 1x HDMI
  • এসি অ্যাডাপ্টার ø4.0,65W এসি অ্যাডাপ্টার
  • আউটপুট: 19V DC, 3.42A, 65W, ইনপুট: 100~240V AC, 50/60Hz সর্বজনীন
  • মাত্রা 38.0(W) x 25.1(D) x 2.32 ~ 2.32 (H) সেমি
  • USB পোর্ট 1x USB 2.0, 2x USB 3.0, 1x USB3.1 Type C (Gen 1)1)
  • সফ্টওয়্যার ASUS গিফটবক্স, ASUS স্মার্ট জেসচার, ASUS স্প্লেন্ডিড, আইসিইসাউন্ড, ইউএসবি চার্জার+
  • ওজন (কেজি) 2.10 কেজি (ব্যাটারি ছাড়া), 2.30 কেজি (2 সেল ব্যাটারি সহ)
  • ব্যাটারি 38WHrs, 2S1P, 2-সেল লি-আয়ন
  • রঙ গাঢ় ধূসর, গোল্ডেন
  • অপারেটিং সিস্টেম উইন্ডোজ 10 (64 বিট)


কোনো বাচ্ছাদের হতে ল্যাপটপ তুলে দিবেন ?

প্রযুক্তির বাইরে থাকা এ মুহূর্তে এককথায় অসম্ভব। তা সে শিশুই হোক কিংবা পরিণত বয়সের মানুষই হোক। মোবাইল ফোন,ল্যাপটপ, ট্যাবের মতো যন্ত্র নির্দিষ্ট বয়সের আগে সন্তানের হাতে তুলে না দেওয়াই ভালো। ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপও নির্দিষ্ট বয়সের পর ব্যবহার করতে দিতে হবে। তবে মা–বাবাদেরই আগে থেকে জানা উচিত প্রযুক্তির ভালো–মন্দ দুটি দিক।

টিভি বিজ্ঞাপন না দেখিয়ে অনেক মা বাচ্চাদের খাওয়াতে পারছেন না—এমন কথা ১০-১২ বছর আগে পর্যন্ত শোনা যেত । কিন্তু টিভি বিজ্ঞাপনের এই নির্ভরতা নিয়ে অভিভাবকদের কখনো নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে দেখা যায়নি । এর একটি কারণ হয়তো টিভি বিজ্ঞাপন হলো একমুখী যোগাযোগ 

আজকের প্রেক্ষাপট নিয়ে যদি কথা বলি, তবে দেখা যাবে ছয় মাসের বাচ্চা থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষ এই মুহূর্তে কোনো না কোনো পর্দার দিকে তাকিয়ে জীবনের অন্য কাজগুলো করছে । সেটা হতে পারে মোবাইল ফোন, ট্যাবলেট, ল্যাপটপ কম্পিউটার বা টিভি পর্দা। এই বাস্তবতা মাথায় রেখে অভিভাবকদের করণীয় কী হওয়া উচিত তা আমরা অনেকেই বুঝতে পারি না। 


অতিরিক্ত ল্যাপটপ বা কম্পিউটার টিপলে যা ক্ষতি হয় ?

শরীরের রক্ত ​​সঞ্চালন কমে যায় 

অনেকটা সময় এক জায়গায় বসার ফলে আমাদের শরীরে রক্ত ​​সঞ্চালন কমে যায়। রক্ত ​​সঞ্চালন কম হয়ে যাওয়ার ফলে নানা সমস্যা হতে পারে। যেমন রক্তের জমাট বেঁধে যাওয়া বা আমাদের পেশীতে ক্রাম্প হয়ে যাওয়া ইত্যাদি। রক্তের ঠিকঠাক ​সঞ্চালনের জন্য কিছুক্ষন পর পর কম্পিউটারের সামনে থেকে উঠে আমাদের হেঁটে বেড়ানো উচিত।

গবেষণায় দেখা যাচ্ছে  নির্দিস্ট সময়ের আগে কম্পিউটার ব্যবহার বাচ্চাদের বিকাশে বাধা আনতে পারে

বর্তমান গবেষণা বলছে এই সময়ে বাচ্চাদের কম্পিউটারের সঙ্গে পরিচয় করানোটা ভালো কারণ তাদের পরিণতমনস্কতা আনতে সাহায্য করে। বাড়ি ও স্কুল দু’ জায়গাতেই যারা এই সময় ব্যবহার করছে কম্পিউটার তাদের ক্ষেত্রে এই পরিণতির হার আরও বেশি। তবে মনে রাখতে হবে এই ব্যবহার যেন ১৫/২০ মিনিটের বেশি না হয়।

ইংল্যন্ডের এক সাইকোলজিস্ট এরিক সিগম্যান গবেষণায় দেখাচ্ছেন যে নির্দিস্ট সময়ের আগে কম্পিউটার ব্যবহার বাচ্চাদের বিকাশে বাধা আনতে পারে। যেহেতু কম্পিউটারে চাইলেই একসঙ্গে অনেক কাজ করা যায় তাই বাচ্চাদের নির্দিস্ট একদিকে মনোযোগ দেবার অভ্যেস বাধা পেতে পারে। ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত আমেরিকার Duke University’র গবেষকরা গবেষণা করে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন যে এই সময়ে অতিরিক্ত নেট ব্যবহার পরীক্ষায় ফল ভালো হতে দেয় না।

মাথা ব্যাথা এবং শরীর ব্যথা 

সারাদিন কম্পিউটারের সামনে এক ভাবে বসে থাকার ফলে আমাদের শরীরের নানা জায়গায় ব্যাথা হয়ে যায়। দীর্ঘক্ষণ একদিকে তাকিয়ে থাকার জন্যে আমাদের ঘাড়ও ব্যথা করে। চোখের উপর চাপ পড়ার ফলে আমাদের মাথাও ব্যাথা হয়ে যায়। আর কম্পিউটারের সামনে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে আমাদের শরীর এবং মনের বিশ্রামের সময় কমে যায়। তাই এর ফলে মাথা ব্যাথা করতে শুরু করে।

ল্যাপটপ বা কম্পিউটার এর নেশা 

আমরা যদি কোনো কিছু দরকার বা জানার জন্য কম্পিউটার খুলি,যেই বিষয়টা আমাদের জানার জন্য জরুরি। সেইখান থেকে আমরা অন্য সম্পর্কিত বিষয়ে চলে যাই। হাইপার লিংক দিয়ে। দ্বিতীয় জায়গা থেকে আরেক সম্পর্কিত বিষয়ের খোঁজে চলে যাই। এইভাবে আমরা ঘুরতেই থাকি আর আমাদের এই স্বভাবটা নেশা হয়ে দাঁড়ায়।

আমাদের বেশিরভাগ সময়ে কম্পিউটারে ব্যস্ত থাকতে হয়।চোখের সমস্যায় পড়ছেন। এ সমস্যা থেকে বাঁচার কিছু উপায় মেনে বলেছেন চিকিৎসকরা। তারা বলেছেন, এ উপায়গুলো মেনে চললে চোখের সমস্যা থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাবে। 

বাচ্চাদের চোখের ক্ষতি থেকে বাঁচার উপায় কি ?

চোখটা কুঁচকে কম্পিউটারের স্ক্রিনে কিছু একটা দেখার সময় চোখের পেশি ও স্নায়ুুর ওপর ভীষণ চাপ পড়ে। ফলে চোখ খুব ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এ ছাড়া চোখে পেশি বা অকুলার মাসলের ওপরও চাপ পড়ে। তখন চোখে ব্যথা করে এবং ক্রমেই দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসে।


ফল ও সবজি খেতে হবে

কম্পিউটারের পর্দায় সবসময় চোখ রাখার জন্য এর ভেতরে থাকা পানির ঘাটতি হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এগুলো চোখে পানির ঘাটতি দূর করতে পারে। বিশেষ করে চোখের সমস্যা থেকে বেঁচে থাকতে ভিটামিন সি জাতীয় খাবার যেমন লেবু, আমলকী, করমচা খাওয়া যেতে পারে।

একটানা কাজ করা যাবে না

একটানা কম্পিউটারে কাজ করলে চোখের সমস্যা হতে পারে। তাই মাঝেমধ্যে কাজে বিরতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। অফিসের কাজ করার মাঝে বিরতি নিলে চোখের সমস্যা থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়। 

ধূমপান বন্ধ করুন

ধূমপানের কারণেও অনেক সময় চোখের সমস্যা দেখা দেয়। তাই চোখের সমস্যা থেকে সুরক্ষিত থাকতে চাইলে ধূমপান বন্ধ করা উচিত। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ধূমপানের মাধ্যমে চোখ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 


আরো পড়ুন 

  1. কম্পিউটার ভাইরাস কি? কম্পিউটারে ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় কি ? 
  2. ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা দামের মধ্যে ভালো ফোন |
  3. Google কীভাবে কাজ করে ? 
  4. 10000-এর নীচে সেরা ফোন ।
  5. টপ 3 সেরা গেম পিসি এর জন্য ।
  6. বিটকয়েন অর্থ কি? বিটকয়েন বলতে কি বুঝায় ? 
  7. কয়েকটি গেম অ্যান্ড্রয়েড গেম যা মিলিয়ন প্লাস ডাউনলোড 
  8. মোবাইল ফোন ব্যবহারের সুবিধা ও অসুবিধা গুলো কি 
  9. পৃথিবীর সবচেয়ে দামি ফোন 


0/পোস্ট এ কমেন্ট/Comments